ক্রিপ্টোকারেন্সি কি এবং কিভাবে কাজ করে? (Beginner’s Guide)

ক্রিপ্টোকারেন্সি কি এবং কিভাবে কাজ করে

আধুনিক ডিজিটাল যুগে ক্রিপ্টোকারেন্সি একটি বিপ্লবী প্রযুক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি শুধু অর্থের লেনদেনের মাধ্যমই নয়, বরং একটি বিকেন্দ্রীভূত আর্থিক ব্যবস্থার ভিত্তি। কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সি আসলে কী? এটি কিভাবে কাজ করে? কেন এটি এত জনপ্রিয়? এই ব্লগ পোস্টে আমরা ক্রিপ্টোকারেন্সির সম্পূর্ণ গাইডলাইন বাংলায় আলোচনা করব।


ক্রিপ্টোকারেন্সি কি?

ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency) হল এক ধরনের ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা, যা ক্রিপ্টোগ্রাফি (গাণিতিক এনক্রিপশন) দ্বারা সুরক্ষিত। এটি কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ (যেমন ব্যাংক বা সরকার) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বরং, এটি একটি ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে বিকেন্দ্রীভূতভাবে পরিচালিত হয়।


ক্রিপ্টোকারেন্সির বৈশিষ্ট্য:

  •  বিকেন্দ্রীভূত – কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই।
  •  ডিজিটাল – শুধু অনলাইনে লেনদেনযোগ্য, ফিজিকাল কয়েন বা নোট নেই।
  •  ক্রিপ্টোগ্রাফিক সিকিউরিটি – উচ্চমানের এনক্রিপশন দ্বারা সুরক্ষিত।
  •  সীমিত সরবরাহ – অনেক ক্রিপ্টোকারেন্সির সর্বোচ্চ সাপ্লাই নির্দিষ্ট (যেমন Bitcoin-এর সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন কয়েন)।
  •  বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা – যেকোনো দেশ থেকে লেনদেন করা যায়।


ক্রিপ্টোকারেন্সি কিভাবে কাজ করে?

ক্রিপ্টোকারেন্সি কাজ করে ব্লকচেইন প্রযুক্তি এর মাধ্যমে। ব্লকচেইন হল একটি ডিজিটাল লেজার বা হিসাবের বই, যেখানে সকল লেনদেন রেকর্ড করা হয়। এটি একটি পাবলিক লেজার, অর্থাৎ যে কেউ এটি দেখতে পারে, কিন্তু একবার রেকর্ড করা তথ্য পরিবর্তন করা অসম্ভব।

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের প্রক্রিয়া:

  •  লেনদেনের অনুরোধ – ব্যবহারকারী A, ব্যবহারকারী B-কে Bitcoin পাঠাতে চায়।
  •  নেটওয়ার্কে সম্প্রচার – লেনদেনটি ক্রিপ্টো নেটওয়ার্কে ব্রডকাস্ট করা হয়।
  •  মাইনিং প্রক্রিয়া – মাইনাররা কম্পিউটেশনাল শক্তি ব্যবহার করে লেনদেনটি যাচাই করে এবং ব্লকচেইনে যুক্ত করে।
  •  ব্লকচেইনে সংরক্ষণ – লেনদেনটি একটি ব্লকে যুক্ত হয়ে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
  •  লেনদেন সম্পন্ন – ব্যবহারকারী B-এর ওয়ালেটে Bitcoin জমা হয়।

বিখ্যাত ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো

1. বিটকয়েন (Bitcoin - BTC) – প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি, ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো দ্বারা তৈরি।

2. ইথেরিয়াম (Ethereum - ETH) – স্মার্ট কন্ট্রাক্ট এবং ডিএপ্পস (DApps) চালানোর জন্য বিখ্যাত।

3. বিন্যান্স কয়েন (Binance Coin - BNB) – বিন্যান্স এক্সচেঞ্জের নিজস্ব টোকেন।

4. কার্ডানো (Cardano - ADA) – গবেষণা-ভিত্তিক ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম।

5. সোলানা (Solana - SOL) – উচ্চ গতি এবং কম ফি দেওয়ার জন্য পরিচিত।


বর্তমান বিশ্বে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে শীর্ষ দেশ কোনটি?


বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সি গ্রহণের ক্ষেত্রে ভারত শীর্ষস্থানে রয়েছে। চেইনালিসিসের ২০২৪ সালের গ্লোবাল ক্রিপ্টো অ্যাডপশন ইনডেক্স অনুসারে, ভারত পরপর দ্বিতীয় বছরের মতো এই স্থান ধরে রেখেছে। এই সূচকে নাইজেরিয়া দ্বিতীয় এবং ইন্দোনেশিয়া তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এই তথ্য থেকে বোঝা যায় যে, দক্ষিণ এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলে ক্রিপ্টোকারেন্সির গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয়


ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয়ের বিভিন্ন উপায় রয়েছে। নিচে কিছু জনপ্রিয় উপায় উল্লেখ করা হলো:

১. ট্রেডিং (Trading)

ক্রিপ্টো ট্রেডিং হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করে লাভ করা। ট্রেডিং-এর কয়েকটি ধরন:

ডে ট্রেডিং (Day Trading): দিনে একাধিকবার বায়-সেল করা।
স্ক্যাল্পিং (Scalping): খুব ছোট সময়ের জন্য ট্রেড করা।
সুইং ট্রেডিং (Swing Trading): কয়েক দিন বা সপ্তাহের জন্য ট্রেড ধরে রাখা।

২. মাইনিং (Mining)

মাইনিং হল ব্লকচেইনে লেনদেন ভেরিফাই করার মাধ্যমে নতুন কয়েন অর্জন করা। তবে এখন মাইনিংয়ের জন্য উচ্চ ক্ষমতার হার্ডওয়্যার প্রয়োজন।

৩. স্টেকিং (Staking) এবং ইয়েল্ড ফার্মিং (Yield Farming)

  •  স্টেকিং: নির্দিষ্ট কয়েন ধরে রেখে নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিনিময়ে রিওয়ার্ড পাওয়া।
  •  ইয়েল্ড ফার্মিং: ডিফাই (DeFi) প্ল্যাটফর্মে লিকুইডিটি প্রদান করে সুদ হিসেবে লাভ করা।

৪. এয়ারড্রপ (Airdrop) ও বাউন্টি (Bounty)

অনেক সময় নতুন ক্রিপ্টো প্রজেক্ট প্রচারের জন্য বিনামূল্যে কয়েন দিয়ে থাকে, যা এয়ারড্রপ নামে পরিচিত। কিছু নির্দিষ্ট কাজ (যেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা) করলেও ফ্রি ক্রিপ্টো পাওয়া যায়।

৫. এনএফটি (NFT) বিক্রি

নন-ফাঞ্জিবল টোকেন (NFT) ডিজিটাল আর্ট, মিউজিক বা গেম আইটেম হিসেবে বিক্রি করা যায়, যা ভালো আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

৬. ক্রিপ্টো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অনেক ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বা ওয়ালেট কোম্পানি তাদের রেফারেল লিংক শেয়ার করে নতুন ব্যবহারকারী আনলে কমিশন দেয়।

৭. ফ্রিল্যান্সিং ও পেমেন্ট গ্রহণ

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হন, তবে ক্রিপ্টোতে পেমেন্ট নিতে পারেন। Fiverr ও Upwork-এর মতো কিছু প্ল্যাটফর্ম ক্রিপ্টো পেমেন্ট সাপোর্ট করে।

৮. ক্রিপ্টো গেমস (Play-to-Earn Games)

Axie Infinity বা The Sandbox-এর মতো গেম খেলে টোকেন অর্জন করা যায়।

ক্রিপ্টোকারেন্সি বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার এবং লেনদেন নিয়ে সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্কতা জারি করেছে। ২০১৭ সালে, বাংলাদেশ ব্যাংক বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেনের বিরুদ্ধে সতর্কতা প্রদান করে, যা অবৈধ কার্যক্রমে ব্যবহারের আশঙ্কা প্রকাশ করে। 


২০২১ সালে, বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে জানায় যে, ক্রিপ্টোকারেন্সি মালিকানা বা লেনদেন আইনত স্বীকৃত নয়, তবে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না। তবে, ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯, এবং অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর আওতায় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। 


সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও, বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। চেইনঅ্যানালিসিসের ২০২৪ সালের গ্লোবাল ক্রিপ্টো অ্যাডপশন ইনডেক্সে বাংলাদেশ ৩৫তম স্থানে রয়েছে, যা দেশের ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের উল্লেখযোগ্যতা নির্দেশ করে। তবে, এই লেনদেনগুলি প্রধানত অনানুষ্ঠানিকভাবে এবং নজরদারির বাইরে পরিচালিত হয়।  


বর্তমানে, বাংলাদেশ সরকার ক্রিপ্টোকারেন্সির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং এর ব্যবহার ও লেনদেনের অনুমতি দেয়নি। তাই, ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে যেকোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিনিষেধ সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।


প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন ১: ক্রিপ্টোকারেন্সি কি?

উত্তর: ক্রিপ্টোকারেন্সি হল একটি ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা, যা ক্রিপ্টোগ্রাফির মাধ্যমে নিরাপদ করা হয়। এটি কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না এবং সাধারণত ব্লকচেইন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।

প্রশ্ন ২: ব্লকচেইন প্রযুক্তি কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?

উত্তর: ব্লকচেইন হল একটি বিকেন্দ্রীভূত, ডিজিটাল লেজার যা সমস্ত লেনদেনের তথ্য নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করে। প্রতিটি লেনদেন একটি ব্লকে সংরক্ষিত হয় এবং এটি একটি ক্রমানুসারে আগের ব্লকের সাথে যুক্ত থাকে, যার ফলে তথ্য পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।

প্রশ্ন ৩: ক্রিপ্টোকারেন্সি কীভাবে তৈরি হয়?

উত্তর: বেশিরভাগ ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং (Mining) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে কম্পিউটার জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করে এবং সঠিক সমাধান পাওয়া গেলে নতুন ক্রিপ্টোকারেন্সি ইউনিট তৈরি হয়।

প্রশ্ন ৪: ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন কীভাবে হয়?

উত্তর: ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন একটি ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে অন্য একটি ওয়ালেটে পাঠানো হয়। এই লেনদেনগুলি ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে যাচাই হয় এবং চূড়ান্তভাবে ব্লকে অন্তর্ভুক্ত হয়, যা প্রতারণা বা দ্বৈত ব্যয়ের (Double Spending) ঝুঁকি কমায়।

প্রশ্ন ৫: ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগ কি নিরাপদ?

উত্তর: ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে, কারণ এর দাম খুবই অস্থির। বিনিয়োগের আগে গবেষণা করা জরুরি এবং কখনোই এমন অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত নয়, যা হারালে বড় ক্ষতি হবে।

প্রশ্ন ৬: ক্রিপ্টোকারেন্সি কিভাবে তৈরি করব?

উত্তর: ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরির জন্য মূল ধাপগুলো হলো:
1. ব্লকচেইন নির্বাচন করুন – নিজস্ব ব্লকচেইন তৈরি করুন বা Ethereum, Binance Smart Chain-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন।
2. কোডিং ও স্মার্ট কন্ট্রাক্ট তৈরি করুন – Solidity বা অন্য ভাষায় স্মার্ট কন্ট্রাক্ট লিখুন।
3. মাইনিং বা টোকেন ইস্যু করুন – কনসেনসাস মেকানিজম (PoW/PoS) নির্ধারণ করুন।
4. ওয়ালেট ও এক্সচেঞ্জ সংযোগ করুন – টোকেন ট্রান্সফার ও লেনদেনের জন্য ওয়ালেট যুক্ত করুন।
5. ICO বা IEO চালু করুন – মার্কেটিং ও লঞ্চিংয়ের মাধ্যমে বাজারে প্রবেশ করুন।

প্রশ্ন ৭: বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সির আইনগত অবস্থান কী?

উত্তর: বর্তমানে বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন আইনত অনুমোদিত নয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এ সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছে। তবে ভবিষ্যতে আইন পরিবর্তিত হতে পারে।

প্রশ্ন ৮: ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা কি হালাল?

উত্তর: ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা হালাল নাকি হারাম তা ইসলামি স্কলারের মধ্যে বিতর্কিত। যদি এটি সুদ, জুয়া বা প্রতারণার সাথে জড়িত না হয় এবং হালাল উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, তাহলে কিছু স্কলার এটিকে অনুমোদনযোগ্য মনে করেন। তবে, অধিকাংশ স্কলার এটি নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন, কারণ এর উচ্চ অনিশ্চয়তা ও স্পেকুলেশন রয়েছে। আপনি নির্ভরযোগ্য ইসলামি স্কলারের মতামত নেওয়ার পরামর্শ নিতে পারেন।

উপসংহার

ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো ডিজিটাল মুদ্রার এক নতুন যুগ, যা ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ ও বিকেন্দ্রীভূত লেনদেন নিশ্চিত করে। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের সরকার বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নয়, বরং ক্রিপ্টোগ্রাফির মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। 

বিটকয়েন, ইথেরিয়ামসহ বিভিন্ন ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং অনেকে এটিকে ভবিষ্যতের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে দেখছেন। তবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকির দিকগুলো বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাজারটি অত্যন্ত অস্থির। সঠিক জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সির সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি, যাতে এটি নিরাপদ ও লাভজনকভাবে ব্যবহার করা যায়।

আরও পড়ুনঃ 




👇আপনি আমাদের তথ্যগুলি আরও যেসব মাধ্যমে পাবেন।👇

👉WhatsApp চ্যানেল ফলো করে রাখুন – এখানে ক্লিক করুন।

👉Telegram চ্যানেল ফলো করে রাখুন – এখানে ক্লিক করুন।

👉Facebook পেজ ফলো করে রাখুন – এখানে ক্লিক করুন।

👉X (twitter) পেজ ফলো করে রাখুন – এখানে ক্লিক করুন।
Next Post Previous Post